সংবাদ প্রতিবেদন
শিশু নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড ময়মনসিংহ, ৯ জুলাই ২০২৬, ৩:৩২ পিএম: ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পাঁচ বছরের শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নদীতে ফেলে হত্যার মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার এ রায় দেন। মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফকে (১৬) ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আরিফ মিয়া (১৯), হাসান রাকিব (২০) ও আবু সায়েম (১৮)। অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফের বয়স ১৬ বছর। মামলায় মোট ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন। প্রদত্ত তথ্যে বলা হয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের টাঙ্গাহাটি গ্রামের তাজু মিয়ার পাঁচ বছরের মেয়ে নিছামনিকে ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়।
পরদিন ১৫ জুন শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা করেন।
তদন্ত ও অভিযোগপত্র
মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে ঘটনার মাত্র নয় দিনের মধ্যে চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরবর্তীতে বিচারিক কার্যক্রম শেষে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যান্য পক্ষের বক্তব্য
প্রদত্ত তথ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বা তাদের আইনজীবীদের বক্তব্য উল্লেখ নেই। এ ছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী কিংবা পুলিশের পৃথক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তাই এসব বিষয়ে কোনো অতিরিক্ত তথ্য সংযোজন করা হয়নি।
উপসংহার
শিশু নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালতের রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক এক আসামিকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানানো হয়েছে।

উজ্জ্বল আলো 




















