সংবাদ প্রতিবেদন
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম
ঢাকা: ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য অর্জনে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, আইনি সুরক্ষা জোরদার, কর ব্যবস্থা সহজীকরণ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক এফডিআই সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করতে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের সরকার সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা দেবে। রাজনীতিতে আসার আগে নিজেও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ব্যবসার সাফল্য শুধু উদ্যোক্তার দক্ষতা বা রাজনৈতিক আশ্বাসের ওপর নির্ভর করে না। প্রবৃদ্ধিবান্ধব সরকারি নীতিমালাও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, দেশীয় উদ্যোক্তা কিংবা বিদেশি বিনিয়োগকারী—বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে সরকার সময়, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও সময়োপযোগী নীতিমালার মাধ্যমে পাশে থাকবে। এটি শুধু আশ্বাস নয়, সরকারের অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও দ্রুত বিকাশমান অভ্যন্তরীণ বাজার, তরুণ জনশক্তি, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার দেশের বড় শক্তি। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে টেকসই সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি জানান, সরকার নিয়মভিত্তিক, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত এবং বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের মতামতের ভিত্তিতে আইনি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো আধুনিকায়ন, দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি, কর ও ভ্যাট প্রশাসন সহজীকরণ এবং পুঁজিবাজার শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন, স্টার্টআপে উৎসাহ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বন্দর ও লজিস্টিকস অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ওষুধশিল্প, ইলেকট্রনিক্স, ডিজিটাল সেবা,কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ, উন্নত বস্ত্রশিল্প, স্বাস্থ্যসেবা ও লজিস্টিকস খাতে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশকে বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তৈরি পোশাক খাতের বহুমুখীকরণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। বক্তব্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায়, যা হবে সুদৃঢ়, ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে সবাইকে অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।এখানে প্রাপ্ত তথ্যের বাইরে পরিবার, স্থানীয় জনগণ, প্রত্যক্ষদর্শী বা প্রশাসনের বক্তব্য কল্পনা করে যোগ করা হয়নি। চাইলে আমি এই একই প্রতিবেদনটি আরও সংক্ষিপ্ত অনলাইন নিউজ ভার্সন, SEO-অপ্টিমাইজড ভার্সন বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্ট হিসেবেও সাজিয়ে দিতে পারি।

- রিপোর্টারের নাম: পার্থ মজুমদার - গণমাধ্যম: উজ্জ্বল আলো - পদবি: স্টাফ রিপোর্টার - কর্মক্ষেত্র: সমগ্র বাংলাদেশ - বিট: অর্থনীতি ও জাতীয় 






















