প্রারম্ভিকা:
ঢাকা, ২৪ মে ২০২৬: ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এর উদ্যোগে ‘সাসটেনিং এক্সেলেন্স’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রত্নগর্ভা তাহমিনা রহমান মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এই কর্মশালায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় কর্মশালাটি পরিচালনা করেন নেতৃত্ব বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এজাজুর রহমান। শিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখা, দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি এবং গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।
ঘটনার বিস্তারিত:
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সিরাজ উদ্দীন আহমেদ। পরে নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, একুশে পদকপ্রাপ্ত সমাজসংস্কারক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সফলতার পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
কর্মশালায় মূল বক্তা এজাজুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখা, দায়িত্ববোধ, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক সংস্কৃতি, সহযোগিতা ও যোগাযোগ, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়া মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও মানবিক উৎকর্ষের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান ভূঁইয়া, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনার উক্তি:
আলহাজ্ব সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “সফলতা অর্জনের জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নে দৃঢ় থাকতে হবে।”তিনি আরও বলেন, “দায়িত্ব ও কাজকে গুরুত্ব দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন সম্ভব।”মূল বক্তা এজাজুর রহমান বলেন, “শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি উৎকর্ষ ধরে রাখতে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কার্যকর নেতৃত্বের বিকল্প নেই।”
পটভূমি:
বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এ কারণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে নিয়মিত কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করছে।
ইউআইটিএসও শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পারিবারিক মন্তব্য:
এটি একটি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণমূলক আয়োজন হওয়ায় কোনো ভুক্তভোগী বা পারিবারিক মন্তব্য প্রযোজ্য নয়।
এলাকাবাসীর মন্তব্য:
কর্মশালায় অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা এ আয়োজনকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।এক শিক্ষার্থী বলেন, “এ ধরনের কর্মশালা আমাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করবে।”আরেক অংশগ্রহণকারী বলেন, “গবেষণা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা খুবই ইতিবাচক।”
আসামি পক্ষের বক্তব্য:
এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ বা অভিযুক্ত ব্যক্তি নেই। এটি একটি শিক্ষা বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন।
প্রশাসনের বক্তব্য:
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
উপসংহার:
কর্মশালার শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

রিপোর্টারের নাম: শান মজুমদার | গণমাধ্যম নাম: উজ্জ্বল আলো (অনলাইন) | পদবী: স্টাফ রিপোর্টার | কাজের এলাকা: সমগ্র বাংলাদেশ | বিট: শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা 












