ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরবন-মোংলা ঘুরে উন্নয়ন সম্ভাবনা পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৬, ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর অপ্রতীম হত্যা মামলায় চার্জশিট, চার আসামির মধ্যে দুইজন কিশোর সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ২,১৫৮ টাকা প্যারিসে কারফিউয়ের মেয়াদ বাড়ল, মার্সেই ও লিওঁয়ে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, নিরাপত্তায় পর্যটক উদ্ধার রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য নিয়ে পেশাদার সংবাদ প্রতিবেদন ব্যাটিং ব্যর্থতায় জয়হীন বাংলাদেশ, দল গঠনে নতুন করে ভাবার তাগিদ সাজেকে অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোলাগুলি, আটকে পড়েছিলেন দুই হাজার পর্যটক
সর্বশেষ সংবাদ :
চট্টগ্রামে ৩০০ শিশুর ওপর গবেষণা: হামে আক্রান্তদের ৮৫.২ শতাংশ টিকাবিহীন একাদশে ভর্তিতে প্রায় ১০ লাখ আবেদন, ফল প্রকাশ ১৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে পোশাক খাতের সংকট ও ১১ দফা সুপারিশ বিজিএমইএর নেপালে বন্যা-ভূমিধসে মৃত ৩৫৯, নিখোঁজ ৯১০ বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, সংসদ সদস্যদের ভোট চাইলেন ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৭ যাত্রাবাড়ীর জনসভায় গোলাম পরওয়ার: ‘জুলাইয়ের ইতিহাস ভুলতে বসেছে বিএনপি’ রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ গুজবকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি শবনম ফারিয়ার, ‘স্ক্রিনশট-কল রেকর্ড প্রকাশ করে মামলা করব’

রংপুরে এসএ পরিবহনের কার্যালয়ে ১২ হাজার ইয়াবাসহ সন্দেহভাজন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

১১২

ঘটনার বিস্তারিত

কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা সকাল থেকেই ছদ্মবেশে এসএ পরিবহনের কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেন। পরে মনসুর মণ্ডল পার্সেলটি গ্রহণ করতে এলে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে চায়ের প্যাকেটের ভেতর থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনসুর মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি পর্যায়ে ইয়াবা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর দাবি করেছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি একটি চায়ের দোকানের আড়ালে এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মাসুদ হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে একটি বড় ইয়াবার চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।” বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন,”চায়ের প্যাকেটের ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে ইয়াবাগুলো লুকিয়ে আনা হয়েছিল। এসএ পরিবহন কর্তৃপক্ষ অভিযানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পটভূমি
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাদক পাচারকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে বিভিন্ন সময় পার্সেল, কুরিয়ার ও পণ্যের মোড়কের আড়ালে মাদক পরিবহনের কৌশল ব্যবহার করে থাকে। এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য

গ্রেপ্তার ব্যক্তির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দাবি অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন হওয়ায় তাকে অপরাধী হিসেবে নয়, সন্দেহভাজন/অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হলো।

প্রশাসনের বক্তব্য

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উপসংহার

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অভিযানে একটি বড় ইয়াবার চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে পাচারচক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

সুন্দরবন-মোংলা ঘুরে উন্নয়ন সম্ভাবনা পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রংপুরে এসএ পরিবহনের কার্যালয়ে ১২ হাজার ইয়াবাসহ সন্দেহভাজন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

Update Time : ১০:৫০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
১১২

ঘটনার বিস্তারিত

কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা সকাল থেকেই ছদ্মবেশে এসএ পরিবহনের কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেন। পরে মনসুর মণ্ডল পার্সেলটি গ্রহণ করতে এলে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে চায়ের প্যাকেটের ভেতর থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনসুর মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি পর্যায়ে ইয়াবা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর দাবি করেছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি একটি চায়ের দোকানের আড়ালে এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মাসুদ হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে একটি বড় ইয়াবার চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।” বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন,”চায়ের প্যাকেটের ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে ইয়াবাগুলো লুকিয়ে আনা হয়েছিল। এসএ পরিবহন কর্তৃপক্ষ অভিযানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পটভূমি
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাদক পাচারকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে বিভিন্ন সময় পার্সেল, কুরিয়ার ও পণ্যের মোড়কের আড়ালে মাদক পরিবহনের কৌশল ব্যবহার করে থাকে। এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য

গ্রেপ্তার ব্যক্তির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দাবি অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন হওয়ায় তাকে অপরাধী হিসেবে নয়, সন্দেহভাজন/অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হলো।

প্রশাসনের বক্তব্য

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উপসংহার

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অভিযানে একটি বড় ইয়াবার চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে পাচারচক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।