Dhaka 4:32 pm, Friday, 17 April 2026
[gtranslate]
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা জোরদারে ইউরোপের উদ্যোগ, মিত্রদের একত্র করছেন ম্যাক্রোঁ-স্টারমার Logo রসমালাইয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী হত্যা, লাশের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে নদীতে নিক্ষেপ Logo আটতলা থেকে লিফটের গর্তে ফেলে কলেজছাত্রকে হত্যা: চট্টগ্রামে চাঞ্চল্য Logo সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২: সংসদে বিল পাস Logo ভাইরাল তাজুর মিলিয়ন ফলোয়ার ফেসবুক পেজ হঠাৎ উধাও, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর Logo কুমিল্লার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঞ্চিত শিশুরা Logo রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস হকি বাছাই শুরু বাংলাদেশের Logo দশজনের আতলেতিকোকে হারিয়ে শীর্ষে বড় পা বার্সেলোনার Logo সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২: সংসদে বিল পাস Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বিসিবির উদ্যোগ
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যা করে দেহ বিকৃত করার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

রসমালাইয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী হত্যা, লাশের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে নদীতে নিক্ষেপ

🔷 প্রারম্ভিকা:
কক্সবাজার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬—কক্সবাজারে শাহিদা আক্তার (২৯) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর তাঁর দেহের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সাইফুল ইসলাম (৩৩)-এর বিরুদ্ধে। পুলিশ জানায়, গত ২৬ মার্চ রাতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত স্বামী প্রথমে রসমালাইয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রীকে খাওয়ান। তিনি অচেতন হয়ে পড়লে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে লাশের পরিচয় গোপন করতে দেহের মাথা ও দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করা হয়।

🔷 ঘটনার বিস্তারিত:
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হত্যার এক দিন পর শাহিদার মাথা ও হাতবিহীন দেহাংশ কক্সবাজার শহরতলির ঝিলংজা এলাকার একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা ও হাতের কবজি প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে বাঁকখালী নদীতে নিক্ষেপ করা হয়।

১১ এপ্রিল বিকেলে স্থানীয়রা ডোবা থেকে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি জব্দ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা কাপড় দেখে লাশ শনাক্ত করেন। প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

🔷 ঘটনার উক্তি:
এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই আসামি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।”

🔷 পটভূমি:
পুলিশ জানায়, কয়েক বছর আগে সাইফুল ইসলাম ও শাহিদা আক্তারের বিয়ে হলেও তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এই দ্বন্দ্বই হত্যার পেছনে প্রধান কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

🔷 পারিবারিক মন্তব্য:
নিহতের এক স্বজন বলেন, “আমরা কখনো ভাবিনি এমন নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।”

🔷 এলাকাবাসীর মন্তব্য:
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “ঘটনাটি এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। দ্রুত বিচার হওয়া প্রয়োজন।”

🔷 আসামি পক্ষের বক্তব্য:
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ সম্পর্কে আরও তদন্ত চলছে।

🔷 প্রশাসনের বক্তব্য:
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বলেন, “আসামির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নদীতে নিক্ষিপ্ত দেহাংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।”

🔷 উপসংহার:
এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

uzzal alo

জনপ্রিয়

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা জোরদারে ইউরোপের উদ্যোগ, মিত্রদের একত্র করছেন ম্যাক্রোঁ-স্টারমার

পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যা করে দেহ বিকৃত করার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

রসমালাইয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী হত্যা, লাশের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে নদীতে নিক্ষেপ

Update Time : 08:56:20 am, Thursday, 16 April 2026

🔷 প্রারম্ভিকা:
কক্সবাজার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬—কক্সবাজারে শাহিদা আক্তার (২৯) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর তাঁর দেহের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সাইফুল ইসলাম (৩৩)-এর বিরুদ্ধে। পুলিশ জানায়, গত ২৬ মার্চ রাতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত স্বামী প্রথমে রসমালাইয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রীকে খাওয়ান। তিনি অচেতন হয়ে পড়লে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে লাশের পরিচয় গোপন করতে দেহের মাথা ও দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করা হয়।

🔷 ঘটনার বিস্তারিত:
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হত্যার এক দিন পর শাহিদার মাথা ও হাতবিহীন দেহাংশ কক্সবাজার শহরতলির ঝিলংজা এলাকার একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা ও হাতের কবজি প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে বাঁকখালী নদীতে নিক্ষেপ করা হয়।

১১ এপ্রিল বিকেলে স্থানীয়রা ডোবা থেকে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি জব্দ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা কাপড় দেখে লাশ শনাক্ত করেন। প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

🔷 ঘটনার উক্তি:
এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই আসামি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।”

🔷 পটভূমি:
পুলিশ জানায়, কয়েক বছর আগে সাইফুল ইসলাম ও শাহিদা আক্তারের বিয়ে হলেও তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এই দ্বন্দ্বই হত্যার পেছনে প্রধান কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

🔷 পারিবারিক মন্তব্য:
নিহতের এক স্বজন বলেন, “আমরা কখনো ভাবিনি এমন নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।”

🔷 এলাকাবাসীর মন্তব্য:
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “ঘটনাটি এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। দ্রুত বিচার হওয়া প্রয়োজন।”

🔷 আসামি পক্ষের বক্তব্য:
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ সম্পর্কে আরও তদন্ত চলছে।

🔷 প্রশাসনের বক্তব্য:
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বলেন, “আসামির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নদীতে নিক্ষিপ্ত দেহাংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।”

🔷 উপসংহার:
এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।