Dhaka 9:52 am, Friday, 17 April 2026
[gtranslate]
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রসমালাইয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী হত্যা, লাশের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে নদীতে নিক্ষেপ Logo আটতলা থেকে লিফটের গর্তে ফেলে কলেজছাত্রকে হত্যা: চট্টগ্রামে চাঞ্চল্য Logo সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২: সংসদে বিল পাস Logo ভাইরাল তাজুর মিলিয়ন ফলোয়ার ফেসবুক পেজ হঠাৎ উধাও, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর Logo কুমিল্লার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঞ্চিত শিশুরা Logo রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস হকি বাছাই শুরু বাংলাদেশের Logo দশজনের আতলেতিকোকে হারিয়ে শীর্ষে বড় পা বার্সেলোনার Logo সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২: সংসদে বিল পাস Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বিসিবির উদ্যোগ Logo জ্বালানি সংকটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিগগির সিদ্ধান্ত
৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩২ বছর করা হলো সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা, বিরোধী দলের দাবি ছিল ৩৫ বছর

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২: সংসদে বিল পাস

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:54:30 pm, Sunday, 5 April 2026
  • 13 Time View

সাব-হেডলাইন:

৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩২ বছর করা হলো সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা, বিরোধী দলের দাবি ছিল ৩৫ বছর

প্রারম্ভিকা:.                                                                                                          সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২ বছর করার বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। রোববার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এ সংক্রান্ত বিলটি অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন আইনের আওতায় সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ বিভিন্ন স্বশাসিত সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে এই বিলটি সংসদে উত্থাপন ও পাস করা হয়।

ঘটনার বিস্তারিত:
সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর এ নিয়ে আলোচনা হয়। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের দাবি থাকায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। আলোচনার সময় বিরোধী দল জামায়াতের সংসদ সদস্যরা বয়সসীমা আরও বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার প্রস্তাব দেন। তবে সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পটভূমি:
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা দীর্ঘদিন ধরে ৩০ বছর নির্ধারিত ছিল। উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় লাগা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কারণে বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে উঠে আসছিল। সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা বাড়ার পর সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করে বয়সসীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।

পারিবারিক ও এলাকাবাসীর মন্তব্য:
চাকরিপ্রার্থী ও বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠনের সদস্যরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। একজন চাকরিপ্রার্থী বলেন, “বয়সসীমা কিছুটা বাড়ানো হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নতুন করে সুযোগ পাবে। তবে আরও বাড়ালে অনেকের জন্য সুবিধা হতো।” আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি ছিল। অবশেষে সরকার কিছুটা হলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
আসামি ও প্রশাসনের বক্তব্য:
সংসদে আলোচনার সময় সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চাকরিপ্রার্থীদের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই বয়সসীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে সংসদের সব পক্ষের মধ্যেই মূলত নীতিগত ঐকমত্য রয়েছে।

উপসংহার:
সংসদে বিলটি পাস হওয়ায় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নতুন বয়সসীমা এখন ৩২ বছর হিসেবে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর ফলে চাকরিপ্রার্থীদের একটি বড় অংশ নতুন করে সুযোগ পাবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

uzzal alo

জনপ্রিয়

রসমালাইয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী হত্যা, লাশের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে নদীতে নিক্ষেপ

৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩২ বছর করা হলো সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা, বিরোধী দলের দাবি ছিল ৩৫ বছর

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২: সংসদে বিল পাস

Update Time : 05:54:30 pm, Sunday, 5 April 2026

সাব-হেডলাইন:

৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩২ বছর করা হলো সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা, বিরোধী দলের দাবি ছিল ৩৫ বছর

প্রারম্ভিকা:.                                                                                                          সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২ বছর করার বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। রোববার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এ সংক্রান্ত বিলটি অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন আইনের আওতায় সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ বিভিন্ন স্বশাসিত সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে এই বিলটি সংসদে উত্থাপন ও পাস করা হয়।

ঘটনার বিস্তারিত:
সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর এ নিয়ে আলোচনা হয়। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের দাবি থাকায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। আলোচনার সময় বিরোধী দল জামায়াতের সংসদ সদস্যরা বয়সসীমা আরও বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার প্রস্তাব দেন। তবে সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পটভূমি:
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা দীর্ঘদিন ধরে ৩০ বছর নির্ধারিত ছিল। উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় লাগা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কারণে বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে উঠে আসছিল। সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা বাড়ার পর সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করে বয়সসীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।

পারিবারিক ও এলাকাবাসীর মন্তব্য:
চাকরিপ্রার্থী ও বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠনের সদস্যরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। একজন চাকরিপ্রার্থী বলেন, “বয়সসীমা কিছুটা বাড়ানো হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নতুন করে সুযোগ পাবে। তবে আরও বাড়ালে অনেকের জন্য সুবিধা হতো।” আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি ছিল। অবশেষে সরকার কিছুটা হলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
আসামি ও প্রশাসনের বক্তব্য:
সংসদে আলোচনার সময় সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চাকরিপ্রার্থীদের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই বয়সসীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে সংসদের সব পক্ষের মধ্যেই মূলত নীতিগত ঐকমত্য রয়েছে।

উপসংহার:
সংসদে বিলটি পাস হওয়ায় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নতুন বয়সসীমা এখন ৩২ বছর হিসেবে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর ফলে চাকরিপ্রার্থীদের একটি বড় অংশ নতুন করে সুযোগ পাবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।