ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর আইইডি, নিষ্ক্রিয় করল বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ধামরাইয়ে জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা, হাজারো ভক্তের সমাগম ধামরাইয়ে জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা, হাজারো ভক্তের সমাগম আগামী জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: আইনমন্ত্রী খাওয়ার পর ঘুম পায় কেন? জানুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও গবেষণার তথ্য মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ, দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ জাপান ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি, চলতি বছরে ভারত সফরের সম্ভাবনা ক্ষীণ

দেশের রপ্তানিতে রেকর্ড মাসিক প্রবৃদ্ধি ঢাকা (বাসস): বিশ্ব অর্থনীতির চলমান অনিশ্চয়তা ও বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশে

  • উজ্জ্বল আলো
  • Update Time : ০৫:৪৫:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২১৩ Time View
৬৭

বৈদেশিক বাণিজ্যে ইতিবাচক গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে দেশের রপ্তানি আয়ে মাসিক ভিত্তিতে ১১ দশমিক ২২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা রপ্তানি খাতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪১৩ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর আগের মাস ডিসেম্বর ২০২৫-এ এই আয় ছিল ৩ হাজার ৯৬৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন ডলার।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে মোট রপ্তানি হয়েছে ২৮ হাজার ৪১০ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার। যদিও এ অঙ্কটি গত অর্থবছরের একই সময়ের ২৮ হাজার ৯৬৯ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় সামান্য কম, তবে সাম্প্রতিক মাসিক প্রবৃদ্ধি রপ্তানি খাতে স্থিতিশীলতা ও সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত তার নেতৃত্ব বজায় রেখেছে। জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ২২ হাজার ৯৮০ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পোশাকের ধারাবাহিক চাহিদা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতারই প্রতিফলন এই প্রবৃদ্ধি।

পোশাক খাতের পাশাপাশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্লাস্টিক পণ্য এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতেও বার্ষিক ও মাসিক উভয় ভিত্তিতে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। তবে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য ও হিমায়িত মাছ খাতে মিশ্র ফলাফল দেখা গেছে।

রপ্তানি গন্তব্য বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে। দেশটিতে জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে রপ্তানি আয় হয়েছে ৫ হাজার ২১৬ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং মাসিক ভিত্তিতে ২ দশমিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে রয়েছে। দেশ দুটিতে রপ্তানি আয় হয়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৮৫২ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার এবং ২ হাজার ৭৭৯ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার—স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও গ্রেট ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এতে বৈশ্বিক প্রধান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের দৃঢ়তা পুনরায় প্রতিফলিত হয়েছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর আইইডি, নিষ্ক্রিয় করল বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল

দেশের রপ্তানিতে রেকর্ড মাসিক প্রবৃদ্ধি ঢাকা (বাসস): বিশ্ব অর্থনীতির চলমান অনিশ্চয়তা ও বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশে

Update Time : ০৫:৪৫:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৬৭

বৈদেশিক বাণিজ্যে ইতিবাচক গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে দেশের রপ্তানি আয়ে মাসিক ভিত্তিতে ১১ দশমিক ২২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা রপ্তানি খাতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪১৩ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর আগের মাস ডিসেম্বর ২০২৫-এ এই আয় ছিল ৩ হাজার ৯৬৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন ডলার।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে মোট রপ্তানি হয়েছে ২৮ হাজার ৪১০ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার। যদিও এ অঙ্কটি গত অর্থবছরের একই সময়ের ২৮ হাজার ৯৬৯ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় সামান্য কম, তবে সাম্প্রতিক মাসিক প্রবৃদ্ধি রপ্তানি খাতে স্থিতিশীলতা ও সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত তার নেতৃত্ব বজায় রেখেছে। জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ২২ হাজার ৯৮০ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পোশাকের ধারাবাহিক চাহিদা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতারই প্রতিফলন এই প্রবৃদ্ধি।

পোশাক খাতের পাশাপাশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্লাস্টিক পণ্য এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতেও বার্ষিক ও মাসিক উভয় ভিত্তিতে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। তবে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য ও হিমায়িত মাছ খাতে মিশ্র ফলাফল দেখা গেছে।

রপ্তানি গন্তব্য বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে। দেশটিতে জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে রপ্তানি আয় হয়েছে ৫ হাজার ২১৬ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং মাসিক ভিত্তিতে ২ দশমিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে রয়েছে। দেশ দুটিতে রপ্তানি আয় হয়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৮৫২ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার এবং ২ হাজার ৭৭৯ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার—স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও গ্রেট ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এতে বৈশ্বিক প্রধান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের দৃঢ়তা পুনরায় প্রতিফলিত হয়েছে।