আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কোনো ধরনের লেথাল ওয়েপন বা মারণাস্ত্র ব্যবহার করবে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ভোটারদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিরপুর জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সের অস্থায়ী বেস ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান বিজিবির ঢাকা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এস এম আবুল এহসান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। ভোটাররা যেন নিরাপদ পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই বিজিবির এই প্রস্তুতি।
তিনি জানান, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারাদেশে ৩৭ হাজারেরও বেশি বিজিবি সদস্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।
ঝুঁকি বিবেচনায় দেশের সব ৩০০টি সংসদীয় আসনেই বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে বলে জানান তিনি। উপজেলাভেদে ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
কর্নেল এস এম আবুল এহসান আরও বলেন, নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (আরএটি) এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে। প্রয়োজনে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হবে। এছাড়া নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে।
নির্বাচন ঘিরে কোনো শঙ্কা রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনে কোনো ধরনের শঙ্কা দেখা যাচ্ছে না। বিজিবির মহাপরিচালকের সুস্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করা হবে না।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
Reporter Name 
















