ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খুলশীতে ৬৩ বিদেশি আটক, উদ্ধার ১৭০টি ডিভাইস ‘৬ মাসে সব কাজ শেষ করা সম্ভব নয়, বিরোধী দলের বুঝতে হবে’ রাজাপুর মডেল মসজিদে ৮ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই, বন্ধ অজুর পানি সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ বাব আল-মান্দেবে হুথিদের অগ্রযাত্রা, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে নতুন শঙ্কা দুই মন্ত্রীর পরিদর্শনে ওসমানী হাসপাতালে বদলে গেল পরিবেশ ঢাকা-১৭ আসনের ৩৮ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান খুলশীতে ৬৩ বিদেশি আটক, উদ্ধার ১৭০টি ডিভাইস টোকিওতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী ২ বছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৪৬ শতাংশ
সর্বশেষ সংবাদ :
রাষ্ট্রপতির কাছে পোশাক খাতের সংকট ও ১১ দফা সুপারিশ বিজিএমইএর নেপালে বন্যা-ভূমিধসে মৃত ৩৫৯, নিখোঁজ ৯১০ বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, সংসদ সদস্যদের ভোট চাইলেন ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৭ যাত্রাবাড়ীর জনসভায় গোলাম পরওয়ার: ‘জুলাইয়ের ইতিহাস ভুলতে বসেছে বিএনপি’ রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ গুজবকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি শবনম ফারিয়ার, ‘স্ক্রিনশট-কল রেকর্ড প্রকাশ করে মামলা করব’ হারের বেদনাতেও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত জাপানি সমর্থকেরা, স্টেডিয়াম পরিষ্কারে আবারও দৃষ্টান্ত আজ কী উপহার রেখেছেন মেসি

অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, অ্যাশেজ ধরে রাখার পথে একপ্রকার নিশ্চিত স্বাগতিকরা

  • উজ্জ্বল আলো
  • Update Time : ০৮:৫৪:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৮ Time View
৬৮

অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, অ্যাশেজ ধরে রাখার পথে একপ্রকার নিশ্চিত স্বাগতিকরা

————————————————————————————-

অ্যাডিলেড ওভালে তৃতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার নির্দয় ও নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে অ্যাশেজ সিরিজ আরও দুই বছরের জন্য ধরে রাখার পথে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে স্বাগতিকরা। বিশাল ৪৩৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়নের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে পড়ে সফরকারীরা।
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল ২০০ রানের বেশি, হাতে ছিল মাত্র চারটি উইকেট। রোববার শেষ দিনে নীচের সারির ব্যাটারদের কাছ থেকে অলৌকিক কিছু না ঘটলে মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই অ্যাশেজ হারাতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড—এমন বাস্তবতাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে জ্যাক ক্রলি খেলেন লড়াকু ৮৫ রানের ইনিংস। ইনিংসটি ম্যাচে ইংল্যান্ডের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হলেও সেটিকে শতকে রূপ দিতে ব্যর্থ হন তিনি। শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে চাপ তৈরি করেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল জো রুটকে আউট করা—টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৩তমবারের মতো রুট কামিন্সের শিকার হন।
চা-বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে নেয় অস্ট্রেলিয়া। নাথান লায়ন শেষ সেশনে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের প্রতিরোধ ভেঙে দেন। হ্যারি ব্রুক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও লায়নের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর একই বোলারের হাতে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১০মবারের মতো আউট হন ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস।
চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী ‘বাজবল’ দর্শন থেকে সরে এসে তুলনামূলক রক্ষণাত্মক কৌশল নেয় ইংল্যান্ড। তবে কামিন্স ও মিচেল স্টার্কের নিখুঁত লাইন-লেন্থে বারবার বিপাকে পড়েন ব্যাটাররা। বেন ডাকেট ও অলি পোপ দ্রুত ফিরে গেলে ক্রলি ও রুট ৭৮ রানের একটি জুটি গড়েন। কিন্তু সেটিও বেশি দূর টানতে পারেননি তারা।
এর আগে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্যের ভিত্তি গড়ে দেন ট্রাভিস হেড। প্রথম ইনিংসে তার ঝলমলে ১৭০ রানের ইনিংসে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিকরা। তার সঙ্গে অ্যালেক্স কেয়ারির ৭২ রানের কার্যকর ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ লিড এনে দেয়। যদিও চতুর্থ দিনের সকালে ইংল্যান্ড দ্রুত ছয় উইকেট তুলে নিয়ে লক্ষ্য কিছুটা কমানোর চেষ্টা করেছিল, তবু তা তখনও ছিল পাহাড়সম।
পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। হেড ও কেয়ারির ১৬২ রানের জুটিতে ইংল্যান্ডের সামনে কার্যত অসম্ভব লক্ষ্য ছুড়ে দেয় স্বাগতিকরা। শেষদিকে ইংল্যান্ড ৬ উইকেট ৩৮ রানে তুলে নিয়ে সামান্য স্বস্তি পেলেও ম্যাচের গতিপথ তখন আর বদলানোর মতো ছিল না।
দিন শেষে জেমি স্মিথ ও উইল জ্যাকস অপরাজিত থাকলেও ইংল্যান্ডের পরাজয় তখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। সব মিলিয়ে সিরিজে ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে অ্যাশেজ ধরে রাখার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ডের দীর্ঘদিনের জয়খরা আরও বাড়ার শঙ্কাই এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে।
স্কোর সংক্ষেপ:
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস ২৮৬, ২য় ইনিংস ৬ উইকেটে ২০৭ (জ্যাক ক্রলি ৮৫; প্যাট কামিন্স ৩/২৪, নাথান লায়ন ৩/৬৪)।
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস ৩৭১, ২য় ইনিংস ৩৪৯ (ট্রাভিস হেড ১৭০, অ্যালেক্স কেয়ারি ৭২; জশ টাং ৪/৭০)।
জিততে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন আরও ২২৮ রান।
আপনি চাইলে এটিকে
প্রথম পাতার জন্য সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী লিডসহ,
অথবা অনলাইন পোর্টাল/লাইভ ব্লগ স্টাইলে
পুনর্লিখন করে দিতে পারি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

খুলশীতে ৬৩ বিদেশি আটক, উদ্ধার ১৭০টি ডিভাইস

অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, অ্যাশেজ ধরে রাখার পথে একপ্রকার নিশ্চিত স্বাগতিকরা

Update Time : ০৮:৫৪:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
৬৮

অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, অ্যাশেজ ধরে রাখার পথে একপ্রকার নিশ্চিত স্বাগতিকরা

————————————————————————————-

অ্যাডিলেড ওভালে তৃতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার নির্দয় ও নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে অ্যাশেজ সিরিজ আরও দুই বছরের জন্য ধরে রাখার পথে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে স্বাগতিকরা। বিশাল ৪৩৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়নের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে পড়ে সফরকারীরা।
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল ২০০ রানের বেশি, হাতে ছিল মাত্র চারটি উইকেট। রোববার শেষ দিনে নীচের সারির ব্যাটারদের কাছ থেকে অলৌকিক কিছু না ঘটলে মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই অ্যাশেজ হারাতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড—এমন বাস্তবতাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে জ্যাক ক্রলি খেলেন লড়াকু ৮৫ রানের ইনিংস। ইনিংসটি ম্যাচে ইংল্যান্ডের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হলেও সেটিকে শতকে রূপ দিতে ব্যর্থ হন তিনি। শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে চাপ তৈরি করেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল জো রুটকে আউট করা—টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৩তমবারের মতো রুট কামিন্সের শিকার হন।
চা-বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে নেয় অস্ট্রেলিয়া। নাথান লায়ন শেষ সেশনে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের প্রতিরোধ ভেঙে দেন। হ্যারি ব্রুক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও লায়নের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর একই বোলারের হাতে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১০মবারের মতো আউট হন ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস।
চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী ‘বাজবল’ দর্শন থেকে সরে এসে তুলনামূলক রক্ষণাত্মক কৌশল নেয় ইংল্যান্ড। তবে কামিন্স ও মিচেল স্টার্কের নিখুঁত লাইন-লেন্থে বারবার বিপাকে পড়েন ব্যাটাররা। বেন ডাকেট ও অলি পোপ দ্রুত ফিরে গেলে ক্রলি ও রুট ৭৮ রানের একটি জুটি গড়েন। কিন্তু সেটিও বেশি দূর টানতে পারেননি তারা।
এর আগে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্যের ভিত্তি গড়ে দেন ট্রাভিস হেড। প্রথম ইনিংসে তার ঝলমলে ১৭০ রানের ইনিংসে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিকরা। তার সঙ্গে অ্যালেক্স কেয়ারির ৭২ রানের কার্যকর ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ লিড এনে দেয়। যদিও চতুর্থ দিনের সকালে ইংল্যান্ড দ্রুত ছয় উইকেট তুলে নিয়ে লক্ষ্য কিছুটা কমানোর চেষ্টা করেছিল, তবু তা তখনও ছিল পাহাড়সম।
পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। হেড ও কেয়ারির ১৬২ রানের জুটিতে ইংল্যান্ডের সামনে কার্যত অসম্ভব লক্ষ্য ছুড়ে দেয় স্বাগতিকরা। শেষদিকে ইংল্যান্ড ৬ উইকেট ৩৮ রানে তুলে নিয়ে সামান্য স্বস্তি পেলেও ম্যাচের গতিপথ তখন আর বদলানোর মতো ছিল না।
দিন শেষে জেমি স্মিথ ও উইল জ্যাকস অপরাজিত থাকলেও ইংল্যান্ডের পরাজয় তখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। সব মিলিয়ে সিরিজে ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে অ্যাশেজ ধরে রাখার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ডের দীর্ঘদিনের জয়খরা আরও বাড়ার শঙ্কাই এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে।
স্কোর সংক্ষেপ:
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস ২৮৬, ২য় ইনিংস ৬ উইকেটে ২০৭ (জ্যাক ক্রলি ৮৫; প্যাট কামিন্স ৩/২৪, নাথান লায়ন ৩/৬৪)।
অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস ৩৭১, ২য় ইনিংস ৩৪৯ (ট্রাভিস হেড ১৭০, অ্যালেক্স কেয়ারি ৭২; জশ টাং ৪/৭০)।
জিততে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন আরও ২২৮ রান।
আপনি চাইলে এটিকে
প্রথম পাতার জন্য সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী লিডসহ,
অথবা অনলাইন পোর্টাল/লাইভ ব্লগ স্টাইলে
পুনর্লিখন করে দিতে পারি।