Dhaka 12:37 pm, Friday, 17 April 2026
[gtranslate]
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রসমালাইয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী হত্যা, লাশের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে নদীতে নিক্ষেপ Logo আটতলা থেকে লিফটের গর্তে ফেলে কলেজছাত্রকে হত্যা: চট্টগ্রামে চাঞ্চল্য Logo সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২: সংসদে বিল পাস Logo ভাইরাল তাজুর মিলিয়ন ফলোয়ার ফেসবুক পেজ হঠাৎ উধাও, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর Logo কুমিল্লার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঞ্চিত শিশুরা Logo রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস হকি বাছাই শুরু বাংলাদেশের Logo দশজনের আতলেতিকোকে হারিয়ে শীর্ষে বড় পা বার্সেলোনার Logo সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২: সংসদে বিল পাস Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বিসিবির উদ্যোগ Logo জ্বালানি সংকটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিগগির সিদ্ধান্ত
বরুড়ার একটি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় স্কুলমুখী হতে পারছে না অনেক শিশু; এলাকাবাসীর বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি।

কুমিল্লার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঞ্চিত শিশুরা

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:43:37 pm, Monday, 6 April 2026
  • 17 Time View

সাব-হেডলাইন:
বরুড়ার একটি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় স্কুলমুখী হতে পারছে না অনেক শিশু; এলাকাবাসীর বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি।

প্রারম্ভিকা:
Barura Upazila-এর পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে গ্রামের অনেক শিশু নিয়মিত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয়ের অভাবে শিশুরা বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পাঠ্যবই থেকে দূরে থেকে বড় হচ্ছে।
এলাকাবাসীর মতে, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ গঠনের পথ সহজ হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনার বিস্তারিত:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের শিশুদের অনেকেই আশপাশের দূরবর্তী গ্রামে গিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পায় না। দূরত্ব, যোগাযোগ সমস্যা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছে না।
ফলে শিশুদের একটি বড় অংশ শৈশব থেকেই বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে বা বাড়িতে থেকে যাচ্ছে। শিক্ষার পরিবেশ না থাকায় অনেকেই প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

পটভূমি:
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। তবে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগের কথা উঠলেও তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে গ্রামটি এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

পারিবারিক ও এলাকাবাসীর মন্তব্য:
গ্রামের এক অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর ইচ্ছা আছে, কিন্তু কাছে কোনো স্কুল না থাকায় অনেক সময় সম্ভব হয় না।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলে আমাদের গ্রামের শিশুদের জীবন বদলে যেতে পারে। আমরা চাই সরকার বা সমাজের বিত্তবান মানুষ এ বিষয়ে এগিয়ে আসুক।”

প্রশাসনের বক্তব্য:
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে এবং ভবিষ্যতে এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপসংহার:
পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে গ্রামটির নতুন প্রজন্ম শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

uzzal alo

জনপ্রিয়

রসমালাইয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী হত্যা, লাশের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে নদীতে নিক্ষেপ

বরুড়ার একটি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় স্কুলমুখী হতে পারছে না অনেক শিশু; এলাকাবাসীর বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি।

কুমিল্লার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঞ্চিত শিশুরা

Update Time : 05:43:37 pm, Monday, 6 April 2026

সাব-হেডলাইন:
বরুড়ার একটি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় স্কুলমুখী হতে পারছে না অনেক শিশু; এলাকাবাসীর বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি।

প্রারম্ভিকা:
Barura Upazila-এর পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে গ্রামের অনেক শিশু নিয়মিত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয়ের অভাবে শিশুরা বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পাঠ্যবই থেকে দূরে থেকে বড় হচ্ছে।
এলাকাবাসীর মতে, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ গঠনের পথ সহজ হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনার বিস্তারিত:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের শিশুদের অনেকেই আশপাশের দূরবর্তী গ্রামে গিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পায় না। দূরত্ব, যোগাযোগ সমস্যা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছে না।
ফলে শিশুদের একটি বড় অংশ শৈশব থেকেই বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে বা বাড়িতে থেকে যাচ্ছে। শিক্ষার পরিবেশ না থাকায় অনেকেই প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

পটভূমি:
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। তবে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগের কথা উঠলেও তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে গ্রামটি এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

পারিবারিক ও এলাকাবাসীর মন্তব্য:
গ্রামের এক অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর ইচ্ছা আছে, কিন্তু কাছে কোনো স্কুল না থাকায় অনেক সময় সম্ভব হয় না।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলে আমাদের গ্রামের শিশুদের জীবন বদলে যেতে পারে। আমরা চাই সরকার বা সমাজের বিত্তবান মানুষ এ বিষয়ে এগিয়ে আসুক।”

প্রশাসনের বক্তব্য:
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে এবং ভবিষ্যতে এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপসংহার:
পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে গ্রামটির নতুন প্রজন্ম শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।