মিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ব্যবহৃত ক্যাপসুলের মান অত্যন্ত ভালো বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তাঁর ভাষ্য, আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে মান যাচাইয়ের পর ইউনিসেফের মাধ্যমে এসব ক্যাপসুল দেশে আনা হয়েছে। রোববার সকালে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী জানান, এবার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের কাছে লাল ও নীল রঙের মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। তিনি বলেন, সারাদেশে একযোগে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। কোনো শিশু প্রথম দিনে বাদ পড়লে পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকবে। এ কার্যক্রম চার দিন পর্যন্ত চলবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শিশুদের অন্ধত্ব, অপুষ্টি এবং হামের মতো রোগ প্রতিরোধে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে পর্যাপ্ত টিকা ও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের ঘাটতি ছিল। তবে বর্তমানে হামের টিকার শতভাগ কভারেজ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং বাদ পড়া শিশুদেরও খুঁজে টিকা দেওয়া হচ্ছে। হামের টিকার মান নিয়েও প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসনের বক্তব্য
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। কোনো শিশু যাতে বাদ না পড়ে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উপসংহার
সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশের ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের আওতায় আনা হবে। ক্যাম্পেইনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার তথ্য
– ঘটনা: জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
– স্থান: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
– সময়: ২৮ জুন ২০২৬, সকাল
– ভুক্তভোগী: প্রযোজ্য নয়
– অভিযুক্ত: প্রযোজ্য নয়
– কারণ: শিশুদের ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতি পূরণ ও প্রতিরোধযোগ্য রোগের ঝুঁকি কমানো
– বর্তমান অবস্থা: সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন চলমান
–

উজ্জ্বল আলো 

























