সাব-হেডলাইন:
সংসদীয় বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন, ৯৮টি বহাল ও ১৫টি সংশোধনের প্রস্তাব
প্রারম্ভিকা:
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। প্রতিবেদনে এসব অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি বিলুপ্ত বা বাতিল করার সুপারিশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কমিটির এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যালোচিত অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই বহাল রাখার সুপারিশ করা হয়েছে, তবে কিছু অধ্যাদেশ সংশোধন কিংবা বাতিল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিস্তারিত:
সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পর্যালোচিত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বহাল রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে কার্যকর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ২০টি অধ্যাদেশ বিলুপ্ত বা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিলুপ্ত করা হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো পরবর্তী সময়ে সেগুলো বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি ৪টি অধ্যাদেশ স্থায়ীভাবে বাতিল ও সংরক্ষণের সুপারিশ করা হয়েছে।
পটভূমি:
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এসব আইনি পদক্ষেপকে স্থায়ী কাঠামোর মধ্যে আনার জন্য সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠন করে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়।
বিরোধীদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’:
প্রতিবেদনটি সামগ্রিকভাবে সর্বসম্মত হলেও ২০টি অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়ে কমিটির বিরোধীদলীয় সদস্যরা দ্বিমত পোষণ করেছেন। তারা এ বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ প্রদান করেছেন। বিরোধীদের আপত্তির মধ্যে রয়েছে—অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ করা চারটি অধ্যাদেশ, সংশোধনের সুপারিশ করা দুটি অধ্যাদেশ, বাতিল করে পুনরায় বিল আকারে আনার তালিকায় থাকা ১১টি অধ্যাদেশ এবং স্থায়ীভাবে বাতিলের তালিকায় থাকা তিনটি অধ্যাদেশ।
আসামি ও প্রশাসনের বক্তব্য:
সংসদীয় কমিটির সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া আইনি পদক্ষেপগুলোকে স্থায়ী রূপ দিতে এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
উপসংহার:
সংসদীয় কমিটির এই প্রতিবেদন এখন সংসদে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য গৃহীত হবে। আলোচনার ভিত্তিতে অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ কার্যকারিতা ও আইনি অবস্থান নির্ধারণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
Reporter Name 















