ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খুলশীতে ৬৩ বিদেশি আটক, উদ্ধার ১৭০টি ডিভাইস ‘৬ মাসে সব কাজ শেষ করা সম্ভব নয়, বিরোধী দলের বুঝতে হবে’ রাজাপুর মডেল মসজিদে ৮ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই, বন্ধ অজুর পানি সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ বাব আল-মান্দেবে হুথিদের অগ্রযাত্রা, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে নতুন শঙ্কা দুই মন্ত্রীর পরিদর্শনে ওসমানী হাসপাতালে বদলে গেল পরিবেশ ঢাকা-১৭ আসনের ৩৮ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান খুলশীতে ৬৩ বিদেশি আটক, উদ্ধার ১৭০টি ডিভাইস টোকিওতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী ২ বছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৪৬ শতাংশ
সর্বশেষ সংবাদ :
রাষ্ট্রপতির কাছে পোশাক খাতের সংকট ও ১১ দফা সুপারিশ বিজিএমইএর নেপালে বন্যা-ভূমিধসে মৃত ৩৫৯, নিখোঁজ ৯১০ বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, সংসদ সদস্যদের ভোট চাইলেন ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৭ যাত্রাবাড়ীর জনসভায় গোলাম পরওয়ার: ‘জুলাইয়ের ইতিহাস ভুলতে বসেছে বিএনপি’ রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ গুজবকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি শবনম ফারিয়ার, ‘স্ক্রিনশট-কল রেকর্ড প্রকাশ করে মামলা করব’ হারের বেদনাতেও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত জাপানি সমর্থকেরা, স্টেডিয়াম পরিষ্কারে আবারও দৃষ্টান্ত আজ কী উপহার রেখেছেন মেসি
বরুড়ার একটি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় স্কুলমুখী হতে পারছে না অনেক শিশু; এলাকাবাসীর বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি।

কুমিল্লার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঞ্চিত শিশুরা

  • উজ্জ্বল আলো
  • Update Time : ০৪:৩১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ১৩১ Time View
৮৪

সাব-হেডলাইন:
বরুড়ার একটি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় স্কুলমুখী হতে পারছে না অনেক শিশু; এলাকাবাসীর বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি।

প্রারম্ভিকা:
Barura Upazila-এর পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে গ্রামের অনেক শিশু নিয়মিত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয়ের অভাবে শিশুরা বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পাঠ্যবই থেকে দূরে থেকে বড় হচ্ছে।
এলাকাবাসীর মতে, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ গঠনের পথ সহজ হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনার বিস্তারিত:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের শিশুদের অনেকেই আশপাশের দূরবর্তী গ্রামে গিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পায় না। দূরত্ব, যোগাযোগ সমস্যা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছে না।
ফলে শিশুদের একটি বড় অংশ শৈশব থেকেই বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে বা বাড়িতে থেকে যাচ্ছে। শিক্ষার পরিবেশ না থাকায় অনেকেই প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

পটভূমি:
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। তবে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগের কথা উঠলেও তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে গ্রামটি এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানবিহীন অবস্থায় রয়েছে।
পারিবারিক ও এলাকাবাসীর মন্তব্য:
গ্রামের এক অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর ইচ্ছা আছে, কিন্তু কাছে কোনো স্কুল না থাকায় অনেক সময় সম্ভব হয় না।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলে আমাদের গ্রামের শিশুদের জীবন বদলে যেতে পারে। আমরা চাই সরকার বা সমাজের বিত্তবান মানুষ এ বিষয়ে এগিয়ে আসুক।”

প্রশাসনের বক্তব্য:
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে এবং ভবিষ্যতে এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপসংহার:
পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে গ্রামটির নতুন প্রজন্ম শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

খুলশীতে ৬৩ বিদেশি আটক, উদ্ধার ১৭০টি ডিভাইস

বরুড়ার একটি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় স্কুলমুখী হতে পারছে না অনেক শিশু; এলাকাবাসীর বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি।

কুমিল্লার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঞ্চিত শিশুরা

Update Time : ০৪:৩১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
৮৪

সাব-হেডলাইন:
বরুড়ার একটি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় স্কুলমুখী হতে পারছে না অনেক শিশু; এলাকাবাসীর বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি।

প্রারম্ভিকা:
Barura Upazila-এর পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে গ্রামের অনেক শিশু নিয়মিত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয়ের অভাবে শিশুরা বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পাঠ্যবই থেকে দূরে থেকে বড় হচ্ছে।
এলাকাবাসীর মতে, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ গঠনের পথ সহজ হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনার বিস্তারিত:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের শিশুদের অনেকেই আশপাশের দূরবর্তী গ্রামে গিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পায় না। দূরত্ব, যোগাযোগ সমস্যা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছে না।
ফলে শিশুদের একটি বড় অংশ শৈশব থেকেই বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে বা বাড়িতে থেকে যাচ্ছে। শিক্ষার পরিবেশ না থাকায় অনেকেই প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

পটভূমি:
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। তবে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগের কথা উঠলেও তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে গ্রামটি এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানবিহীন অবস্থায় রয়েছে।
পারিবারিক ও এলাকাবাসীর মন্তব্য:
গ্রামের এক অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর ইচ্ছা আছে, কিন্তু কাছে কোনো স্কুল না থাকায় অনেক সময় সম্ভব হয় না।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলে আমাদের গ্রামের শিশুদের জীবন বদলে যেতে পারে। আমরা চাই সরকার বা সমাজের বিত্তবান মানুষ এ বিষয়ে এগিয়ে আসুক।”

প্রশাসনের বক্তব্য:
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে এবং ভবিষ্যতে এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপসংহার:
পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে গ্রামটির নতুন প্রজন্ম শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।