ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর আইইডি, নিষ্ক্রিয় করল বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ধামরাইয়ে জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা, হাজারো ভক্তের সমাগম ধামরাইয়ে জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা, হাজারো ভক্তের সমাগম আগামী জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: আইনমন্ত্রী খাওয়ার পর ঘুম পায় কেন? জানুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও গবেষণার তথ্য মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ, দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ জাপান ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি, চলতি বছরে ভারত সফরের সম্ভাবনা ক্ষীণ

কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি না করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

  • উজ্জ্বল আলো
  • Update Time : ০৮:৩৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৪ Time View
৫৭

কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি না করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

————————————————————————————

সাংবাদিকদের কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি না করে নিজেদের পেশাগত অধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে ভিন্নমত প্রকাশ করলেই দমন-পীড়ন ও অপপ্রচারের যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, তা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর দ্বিবার্ষিক কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “সাংবাদিকদের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে মালিকপক্ষ বা সরকারের সঙ্গে আলোচনাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। কিন্তু কোনো দল বা গোষ্ঠীর লেজুড়বৃত্তি করলে সমস্যার সমাধান হয় না। গত ১৫ বছর ধরে শেখ হাসিনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রটি পরিকল্পিতভাবে সংকুচিত করেছেন। এখন সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে।”

তিনি আরও বলেন,-February মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে জাতীয় প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবাই একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফেরার অপেক্ষায় আছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হতে পারে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি—এটি আমাদের সবাইকে সম্মান করতে হবে।”

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন যে দেশে ভিন্নমত পোষণকারীদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, “কারও মতভেদ হলেই তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়। এ প্রবণতা পরিহার করা উচিত।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতে গণতন্ত্রের শক্তি বৃদ্ধি পায় না বরং নৈরাজ্য ও ‘মব ভায়োলেন্স’-এর পরিবেশ তৈরি হয়। তার মতে, এ ধরনের অপরিণামদর্শী আচরণ জনমত বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছিলেন এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়াও গণমাধ্যমবান্ধব নীতি অনুসরণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখাতেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতা উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের সময়/এএসআপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনটি আরও সংক্ষিপ্ত, আরও দীর্ঘ, বা যেকোনো নির্দিষ্ট পত্রিকার স্টাইল অনুযায়ী সাজিয়ে দিতে পারি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর আইইডি, নিষ্ক্রিয় করল বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল

কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি না করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

Update Time : ০৮:৩৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
৫৭

কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি না করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

————————————————————————————

সাংবাদিকদের কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি না করে নিজেদের পেশাগত অধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে ভিন্নমত প্রকাশ করলেই দমন-পীড়ন ও অপপ্রচারের যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, তা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর দ্বিবার্ষিক কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “সাংবাদিকদের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে মালিকপক্ষ বা সরকারের সঙ্গে আলোচনাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। কিন্তু কোনো দল বা গোষ্ঠীর লেজুড়বৃত্তি করলে সমস্যার সমাধান হয় না। গত ১৫ বছর ধরে শেখ হাসিনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রটি পরিকল্পিতভাবে সংকুচিত করেছেন। এখন সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে।”

তিনি আরও বলেন,-February মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে জাতীয় প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবাই একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফেরার অপেক্ষায় আছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হতে পারে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি—এটি আমাদের সবাইকে সম্মান করতে হবে।”

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন যে দেশে ভিন্নমত পোষণকারীদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, “কারও মতভেদ হলেই তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়। এ প্রবণতা পরিহার করা উচিত।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতে গণতন্ত্রের শক্তি বৃদ্ধি পায় না বরং নৈরাজ্য ও ‘মব ভায়োলেন্স’-এর পরিবেশ তৈরি হয়। তার মতে, এ ধরনের অপরিণামদর্শী আচরণ জনমত বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছিলেন এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়াও গণমাধ্যমবান্ধব নীতি অনুসরণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখাতেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতা উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের সময়/এএসআপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনটি আরও সংক্ষিপ্ত, আরও দীর্ঘ, বা যেকোনো নির্দিষ্ট পত্রিকার স্টাইল অনুযায়ী সাজিয়ে দিতে পারি।