ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরবন-মোংলা ঘুরে উন্নয়ন সম্ভাবনা পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৬, ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর অপ্রতীম হত্যা মামলায় চার্জশিট, চার আসামির মধ্যে দুইজন কিশোর সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ২,১৫৮ টাকা প্যারিসে কারফিউয়ের মেয়াদ বাড়ল, মার্সেই ও লিওঁয়ে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, নিরাপত্তায় পর্যটক উদ্ধার রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য নিয়ে পেশাদার সংবাদ প্রতিবেদন ব্যাটিং ব্যর্থতায় জয়হীন বাংলাদেশ, দল গঠনে নতুন করে ভাবার তাগিদ সাজেকে অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোলাগুলি, আটকে পড়েছিলেন দুই হাজার পর্যটক
সর্বশেষ সংবাদ :
চট্টগ্রামে ৩০০ শিশুর ওপর গবেষণা: হামে আক্রান্তদের ৮৫.২ শতাংশ টিকাবিহীন একাদশে ভর্তিতে প্রায় ১০ লাখ আবেদন, ফল প্রকাশ ১৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে পোশাক খাতের সংকট ও ১১ দফা সুপারিশ বিজিএমইএর নেপালে বন্যা-ভূমিধসে মৃত ৩৫৯, নিখোঁজ ৯১০ বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, সংসদ সদস্যদের ভোট চাইলেন ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৭ যাত্রাবাড়ীর জনসভায় গোলাম পরওয়ার: ‘জুলাইয়ের ইতিহাস ভুলতে বসেছে বিএনপি’ রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ গুজবকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি শবনম ফারিয়ার, ‘স্ক্রিনশট-কল রেকর্ড প্রকাশ করে মামলা করব’

তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৬, ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর

  • উজ্জ্বল আলো
  • Update Time : ০৭:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩১ Time View
৩৭

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ২৩ অক্টোবর ২০২৬

চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। ভূমিকম্পে শত শত বাড়িঘর ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বার্তা সংস্থা বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বতের রাজধানী লাসার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত নাগচুর বিস্তীর্ণ ও জনবিরল পার্বত্য এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও কর্মকর্তাদের বরাতে হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

### দুর্গম পার্বত্য এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে নাগচু অঞ্চলের শত শত বাড়িঘর ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার বা ১৫ হাজার ৭৫০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।

উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছানো এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা কঠিন হতে পারে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সব স্থানে উদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি, নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা এবং সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

### ২০২৩ সালের পর প্রাণঘাতী ভূমিকম্প

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের পর এটি ওই অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প। ২০২৩ সালে চীনের পার্শ্ববর্তী গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে তিব্বতের দুর্গম এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেলেও এর পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়। যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় দুর্গত এলাকাগুলোর পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

### তথ্য যাচাইয়ে সীমাবদ্ধতা

ভূমিকম্পের হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশিত অধিকাংশ তথ্য চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার প্রতিবেদন থেকে এসেছে। স্থানীয় কর্মকর্তা ও জরুরি সেবাকর্মীদের বরাতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

তিব্বতে তথ্যপ্রবাহ ও সংবাদ সংগ্রহের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় অঞ্চলটির পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে।

### সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য

প্রশাসনের বক্তব্য: ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রম, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বিস্তারিত বক্তব্য সরবরাহ করা তথ্যের মধ্যে নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া: প্রত্যক্ষদর্শী বা ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সরাসরি বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে কোনো অনুমানভিত্তিক মন্তব্য যুক্ত করা হয়নি।

### উপসংহার ও সর্বশেষ অবস্থা

২৩ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সরবরাহ করা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। শত শত বাড়িঘর ধসে পড়ার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

দুর্গম পার্বত্য এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা স্বাভাবিক করা, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানসংক্রান্ত অগ্রগতির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সম্পাদনা-নোট: প্রতিবেদনটি সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত। হতাহতের সংখ্যা, ভূমিকম্পের মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। প্রকাশের আগে মূল সূত্র থেকে তথ্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

সুন্দরবন-মোংলা ঘুরে উন্নয়ন সম্ভাবনা পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৬, ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর

Update Time : ০৭:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
৩৭

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ২৩ অক্টোবর ২০২৬

চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। ভূমিকম্পে শত শত বাড়িঘর ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বার্তা সংস্থা বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বতের রাজধানী লাসার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত নাগচুর বিস্তীর্ণ ও জনবিরল পার্বত্য এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও কর্মকর্তাদের বরাতে হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

### দুর্গম পার্বত্য এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে নাগচু অঞ্চলের শত শত বাড়িঘর ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার বা ১৫ হাজার ৭৫০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।

উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছানো এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা কঠিন হতে পারে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সব স্থানে উদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি, নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা এবং সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

### ২০২৩ সালের পর প্রাণঘাতী ভূমিকম্প

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের পর এটি ওই অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প। ২০২৩ সালে চীনের পার্শ্ববর্তী গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে তিব্বতের দুর্গম এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেলেও এর পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়। যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় দুর্গত এলাকাগুলোর পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

### তথ্য যাচাইয়ে সীমাবদ্ধতা

ভূমিকম্পের হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশিত অধিকাংশ তথ্য চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার প্রতিবেদন থেকে এসেছে। স্থানীয় কর্মকর্তা ও জরুরি সেবাকর্মীদের বরাতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

তিব্বতে তথ্যপ্রবাহ ও সংবাদ সংগ্রহের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় অঞ্চলটির পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে।

### সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য

প্রশাসনের বক্তব্য: ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রম, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বিস্তারিত বক্তব্য সরবরাহ করা তথ্যের মধ্যে নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া: প্রত্যক্ষদর্শী বা ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সরাসরি বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে কোনো অনুমানভিত্তিক মন্তব্য যুক্ত করা হয়নি।

### উপসংহার ও সর্বশেষ অবস্থা

২৩ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সরবরাহ করা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। শত শত বাড়িঘর ধসে পড়ার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

দুর্গম পার্বত্য এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা স্বাভাবিক করা, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানসংক্রান্ত অগ্রগতির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সম্পাদনা-নোট: প্রতিবেদনটি সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত। হতাহতের সংখ্যা, ভূমিকম্পের মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। প্রকাশের আগে মূল সূত্র থেকে তথ্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।