ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরবন-মোংলা ঘুরে উন্নয়ন সম্ভাবনা পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৬, ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর অপ্রতীম হত্যা মামলায় চার্জশিট, চার আসামির মধ্যে দুইজন কিশোর সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ২,১৫৮ টাকা প্যারিসে কারফিউয়ের মেয়াদ বাড়ল, মার্সেই ও লিওঁয়ে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, নিরাপত্তায় পর্যটক উদ্ধার রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য নিয়ে পেশাদার সংবাদ প্রতিবেদন ব্যাটিং ব্যর্থতায় জয়হীন বাংলাদেশ, দল গঠনে নতুন করে ভাবার তাগিদ সাজেকে অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোলাগুলি, আটকে পড়েছিলেন দুই হাজার পর্যটক
সর্বশেষ সংবাদ :
চট্টগ্রামে ৩০০ শিশুর ওপর গবেষণা: হামে আক্রান্তদের ৮৫.২ শতাংশ টিকাবিহীন একাদশে ভর্তিতে প্রায় ১০ লাখ আবেদন, ফল প্রকাশ ১৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে পোশাক খাতের সংকট ও ১১ দফা সুপারিশ বিজিএমইএর নেপালে বন্যা-ভূমিধসে মৃত ৩৫৯, নিখোঁজ ৯১০ বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, সংসদ সদস্যদের ভোট চাইলেন ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৭ যাত্রাবাড়ীর জনসভায় গোলাম পরওয়ার: ‘জুলাইয়ের ইতিহাস ভুলতে বসেছে বিএনপি’ রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ গুজবকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি শবনম ফারিয়ার, ‘স্ক্রিনশট-কল রেকর্ড প্রকাশ করে মামলা করব’
বিনিয়োগ প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর তা বিবেচনা করবে সরকার; সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র পরিদর্শনে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা

৪৭

সংবাদ প্রতিবেদন

### বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা জাপানি প্রতিনিধিদলের

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১২০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে জাপানি বিনিয়োগকারীদের একটি প্রতিনিধিদল। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে বৈঠকে এ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের পর্যটন অবকাঠামো ও আতিথেয়তা-সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধার উন্নয়নে বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে বিনিয়োগটি এখনো পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে। আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর তা সরকারের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে।

### বিনিয়োগ প্রস্তাবে সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস

বৈঠকে পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জাপানি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, বিনিয়োগ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মন্ত্রী জানান, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে পর্যটন খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন তিনি, যাতে বিনিয়োগকারী এবং বাংলাদেশ—উভয় পক্ষই লাভবান হয়।

### বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণের বিষয়গুলো তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি সুন্দরবন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এবং সিলেটের চা-বাগানের কথা উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতের বিকাশে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়ন প্রয়োজন। এ খাতে জাপানের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের অবদানের কথাও বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। দুই দেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় পর্যটন খাতে নতুন অংশীদারত্ব গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

### পর্যটনকেন্দ্র পরিদর্শনে সহযোগিতা করবে ট্যুরিজম বোর্ড

বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে জাপানি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্রগুলো পরিদর্শনের সুযোগ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন পর্যটনমন্ত্রী।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের একটি প্রতিনিধিদল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা পর্যটন অবকাঠামো, আতিথেয়তা খাত এবং সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে মূল্যায়ন করতে পারবেন।

জাপানি প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন।

### বিনিয়োগ এখনো প্রস্তাবের পর্যায়ে

প্রাথমিকভাবে ঘোষিত ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দিতে হবে। এরপর প্রস্তাবটি সরকারের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে।

সর্বশেষ অবস্থা: প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার আগের পর্যায়ে রয়েছে উদ্যোগটি। বিনিয়োগের প্রকল্পভিত্তিক বিভাজন, বাস্তবায়নের সময়সীমা, নির্দিষ্ট স্থান এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

সম্পাদনা নোট: প্রতিবেদনটি সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। জাপানি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নাম, তাদের নিজস্ব বক্তব্য এবং বিনিয়োগের বিস্তারিত শর্ত পাওয়া না যাওয়ায় সেগুলো সংযোজন করা হয়নি। বিনিয়োগের ঘোষণাকে চূড়ান্ত বিনিয়োগ বা অনুমোদিত প্রকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

সুন্দরবন-মোংলা ঘুরে উন্নয়ন সম্ভাবনা পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিনিয়োগ প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর তা বিবেচনা করবে সরকার; সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র পরিদর্শনে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা

Update Time : ০৭:৫৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
৪৭

সংবাদ প্রতিবেদন

### বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা জাপানি প্রতিনিধিদলের

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১২০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে জাপানি বিনিয়োগকারীদের একটি প্রতিনিধিদল। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে বৈঠকে এ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের পর্যটন অবকাঠামো ও আতিথেয়তা-সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধার উন্নয়নে বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে বিনিয়োগটি এখনো পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে। আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর তা সরকারের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে।

### বিনিয়োগ প্রস্তাবে সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস

বৈঠকে পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জাপানি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, বিনিয়োগ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মন্ত্রী জানান, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে পর্যটন খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন তিনি, যাতে বিনিয়োগকারী এবং বাংলাদেশ—উভয় পক্ষই লাভবান হয়।

### বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণের বিষয়গুলো তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি সুন্দরবন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এবং সিলেটের চা-বাগানের কথা উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতের বিকাশে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়ন প্রয়োজন। এ খাতে জাপানের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের অবদানের কথাও বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। দুই দেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় পর্যটন খাতে নতুন অংশীদারত্ব গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

### পর্যটনকেন্দ্র পরিদর্শনে সহযোগিতা করবে ট্যুরিজম বোর্ড

বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে জাপানি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্রগুলো পরিদর্শনের সুযোগ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন পর্যটনমন্ত্রী।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের একটি প্রতিনিধিদল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা পর্যটন অবকাঠামো, আতিথেয়তা খাত এবং সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে মূল্যায়ন করতে পারবেন।

জাপানি প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন।

### বিনিয়োগ এখনো প্রস্তাবের পর্যায়ে

প্রাথমিকভাবে ঘোষিত ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দিতে হবে। এরপর প্রস্তাবটি সরকারের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে।

সর্বশেষ অবস্থা: প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার আগের পর্যায়ে রয়েছে উদ্যোগটি। বিনিয়োগের প্রকল্পভিত্তিক বিভাজন, বাস্তবায়নের সময়সীমা, নির্দিষ্ট স্থান এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

সম্পাদনা নোট: প্রতিবেদনটি সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। জাপানি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নাম, তাদের নিজস্ব বক্তব্য এবং বিনিয়োগের বিস্তারিত শর্ত পাওয়া না যাওয়ায় সেগুলো সংযোজন করা হয়নি। বিনিয়োগের ঘোষণাকে চূড়ান্ত বিনিয়োগ বা অনুমোদিত প্রকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।