ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাব আল-মান্দেবে হুথিদের অগ্রযাত্রা, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে নতুন শঙ্কা দুই মন্ত্রীর পরিদর্শনে ওসমানী হাসপাতালে বদলে গেল পরিবেশ ঢাকা-১৭ আসনের ৩৮ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান খুলশীতে ৬৩ বিদেশি আটক, উদ্ধার ১৭০টি ডিভাইস টোকিওতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী ২ বছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৪৬ শতাংশ বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে: মঈন খান জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত হলে রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার কমবে: কাদের গণি রাজাপুর মডেল মসজিদে ৮ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই, বন্ধ অজুর পানি ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,২৫২
সর্বশেষ সংবাদ :
রাষ্ট্রপতির কাছে পোশাক খাতের সংকট ও ১১ দফা সুপারিশ বিজিএমইএর নেপালে বন্যা-ভূমিধসে মৃত ৩৫৯, নিখোঁজ ৯১০ বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, সংসদ সদস্যদের ভোট চাইলেন ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৭ যাত্রাবাড়ীর জনসভায় গোলাম পরওয়ার: ‘জুলাইয়ের ইতিহাস ভুলতে বসেছে বিএনপি’ রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ গুজবকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি শবনম ফারিয়ার, ‘স্ক্রিনশট-কল রেকর্ড প্রকাশ করে মামলা করব’ হারের বেদনাতেও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত জাপানি সমর্থকেরা, স্টেডিয়াম পরিষ্কারে আবারও দৃষ্টান্ত আজ কী উপহার রেখেছেন মেসি

জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের বাবা: ছেলেকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছিল

৩৬

 

সংবাদ প্রতিবেদন

প্রারম্ভিকা

ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৬: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শাহরিয়ার হোসেনের বাবা মো. মনির হোসেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়া, হাসপাতালে নেওয়া এবং মৃত্যুর পরের পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য দেন।

মনির হোসেন জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরে আন্দোলনে অংশ নেন তাঁর বড় ছেলে শাহরিয়ার। তাঁর দাবি অনুযায়ী, সেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হলে শাহরিয়ার গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার বিস্তারিত

মনির হোসেন ট্রাইব্যুনালে বলেন, শাহরিয়ারের শরীরে গুলি লাগার খবর তাঁকে তাঁর দুই ভাগনে জানান। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শাহরিয়ারকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জবানবন্দি অনুযায়ী, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহরিয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন। মনির হোসেনের দাবি, চিকিৎসকের কাছে মৃত্যু সনদপত্র চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক একটি সাদা কাপড় দিয়ে শাহরিয়ারের শরীর ঢেকে নিয়ে যেতে বলেন। পথিমধ্যে কেউ জিজ্ঞেস করলে শাহরিয়ার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন—এ কথা না বলতেও তাঁকে নিষেধ করা হয়েছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য

মনির হোসেন তাঁর জবানবন্দিতে ছেলের মৃত্যুর জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজনকে দায়ী করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রদত্ত তথ্যে পাওয়া যায়নি।

পরিবারের মন্তব্য

মনির হোসেন কাঁচামালের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মোহাম্মদপুরে ব্যবসা করেন। নিহত শাহরিয়ার হোসেন তাঁর বড় ছেলে। জবানবন্দিতে তিনি ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়া ও হাসপাতালে নেওয়ার পরের পরিস্থিতির বর্ণনা দেন।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

প্রদত্ত তথ্যে স্থানীয় বাসিন্দা বা প্রত্যক্ষদর্শীদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য

মামলার আসামিদের পক্ষ থেকে এ জবানবন্দি বা উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য প্রদত্ত তথ্যে পাওয়া যায়নি।

প্রশাসনের বক্তব্য

এ মামলার বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চলছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জবানবন্দিতে উত্থাপিত নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য প্রদত্ত তথ্যে পাওয়া যায়নি।

মামলার বর্তমান অবস্থা

রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলায় মনির হোসেন পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

মামলায় মোট আসামি ২৮ জন। তাঁদের মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার আছেন। তাঁরা হলেন আনসারের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং যুবলীগ কর্মী কে এম ফজলে রাব্বী।

মামলার ২৪ আসামি পলাতক রয়েছেন বলে জবানবন্দির তথ্য থেকে জানা যায়। তাঁদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, পুলিশ সদর দপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার এবং মোহাম্মদপুর অঞ্চলের সাবেক এডিসি রৌশানুল হক সৈকত রয়েছেন।

উপসংহার

শাহরিয়ার হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁর বাবা মো. মনির হোসেনের জবানবন্দি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। জবানবন্দিতে তিনি ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়া, হাসপাতালে নেওয়া এবং মৃত্যুর পরের পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেছেন। মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমে এসব বক্তব্যের আইনগত মূল্যায়ন হবে।

সম্পাদনা নোট: হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, পুলিশ প্রশাসন এবং মামলার অভিযুক্তদের বক্তব্য প্রাপ্ত তথ্যে না থাকায় সেগুলোকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি। জবানবন্দিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোও অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে; আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

বাব আল-মান্দেবে হুথিদের অগ্রযাত্রা, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে নতুন শঙ্কা

জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের বাবা: ছেলেকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছিল

Update Time : ০৫:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
৩৬

 

সংবাদ প্রতিবেদন

প্রারম্ভিকা

ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৬: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শাহরিয়ার হোসেনের বাবা মো. মনির হোসেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়া, হাসপাতালে নেওয়া এবং মৃত্যুর পরের পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য দেন।

মনির হোসেন জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরে আন্দোলনে অংশ নেন তাঁর বড় ছেলে শাহরিয়ার। তাঁর দাবি অনুযায়ী, সেখানে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হলে শাহরিয়ার গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার বিস্তারিত

মনির হোসেন ট্রাইব্যুনালে বলেন, শাহরিয়ারের শরীরে গুলি লাগার খবর তাঁকে তাঁর দুই ভাগনে জানান। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শাহরিয়ারকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জবানবন্দি অনুযায়ী, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহরিয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন। মনির হোসেনের দাবি, চিকিৎসকের কাছে মৃত্যু সনদপত্র চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক একটি সাদা কাপড় দিয়ে শাহরিয়ারের শরীর ঢেকে নিয়ে যেতে বলেন। পথিমধ্যে কেউ জিজ্ঞেস করলে শাহরিয়ার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন—এ কথা না বলতেও তাঁকে নিষেধ করা হয়েছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য

মনির হোসেন তাঁর জবানবন্দিতে ছেলের মৃত্যুর জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজনকে দায়ী করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রদত্ত তথ্যে পাওয়া যায়নি।

পরিবারের মন্তব্য

মনির হোসেন কাঁচামালের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মোহাম্মদপুরে ব্যবসা করেন। নিহত শাহরিয়ার হোসেন তাঁর বড় ছেলে। জবানবন্দিতে তিনি ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়া ও হাসপাতালে নেওয়ার পরের পরিস্থিতির বর্ণনা দেন।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

প্রদত্ত তথ্যে স্থানীয় বাসিন্দা বা প্রত্যক্ষদর্শীদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য

মামলার আসামিদের পক্ষ থেকে এ জবানবন্দি বা উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য প্রদত্ত তথ্যে পাওয়া যায়নি।

প্রশাসনের বক্তব্য

এ মামলার বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চলছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জবানবন্দিতে উত্থাপিত নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য প্রদত্ত তথ্যে পাওয়া যায়নি।

মামলার বর্তমান অবস্থা

রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলায় মনির হোসেন পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

মামলায় মোট আসামি ২৮ জন। তাঁদের মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার আছেন। তাঁরা হলেন আনসারের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং যুবলীগ কর্মী কে এম ফজলে রাব্বী।

মামলার ২৪ আসামি পলাতক রয়েছেন বলে জবানবন্দির তথ্য থেকে জানা যায়। তাঁদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, পুলিশ সদর দপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার এবং মোহাম্মদপুর অঞ্চলের সাবেক এডিসি রৌশানুল হক সৈকত রয়েছেন।

উপসংহার

শাহরিয়ার হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁর বাবা মো. মনির হোসেনের জবানবন্দি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। জবানবন্দিতে তিনি ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়া, হাসপাতালে নেওয়া এবং মৃত্যুর পরের পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেছেন। মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমে এসব বক্তব্যের আইনগত মূল্যায়ন হবে।

সম্পাদনা নোট: হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, পুলিশ প্রশাসন এবং মামলার অভিযুক্তদের বক্তব্য প্রাপ্ত তথ্যে না থাকায় সেগুলোকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি। জবানবন্দিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোও অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে; আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।