ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর আইইডি, নিষ্ক্রিয় করল বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ধামরাইয়ে জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা, হাজারো ভক্তের সমাগম ধামরাইয়ে জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা, হাজারো ভক্তের সমাগম আগামী জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: আইনমন্ত্রী খাওয়ার পর ঘুম পায় কেন? জানুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও গবেষণার তথ্য মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ, দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে দুই সমীকরণ জাপান ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি, চলতি বছরে ভারত সফরের সম্ভাবনা ক্ষীণ
বিশ্বকাপ বিদায়ের পরও ইউরো শিরোপাকেই সর্বোচ্চ অর্জন বললেন রোনালদো।

রোনালদোর কাছে ইউরো জয়ই বিশ্বকাপের সমান, ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নয়

২৮

ডালাস | ৭ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়ার পর ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়কেই নিজের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার ভাষায়, ওই শিরোপার মূল্য তার কাছে বিশ্বকাপ জয়ের সমান। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্পেন ১-০ গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর করা একমাত্র গোলে নিশ্চিত হয় স্পেনের জয়। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় রোনালদোর ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান। ম্যাচে ৪১ বছর বয়সী রোনালদো প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেননি। প্রথমার্ধে গোলরক্ষক উনাই সিমনের উদ্দেশে নেওয়া একটি শট ছাড়া উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেননি তিনি। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রোনালদো বলেন, “পর্তুগালের হয়ে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন ২০১৬ সালের ইউরো জেতা। সেই ট্রফিটাই আমার কাছে বিশ্বকাপের মতোই মূল্যবান। তিনি আরও বলেন, “আগামীকাল আমি ফুরফুরে হয়ে ঘুম থেকে উঠব। কারণ দেশের জন্য নিজের সর্বস্ব দিয়েছি। আমার আগে পর্তুগাল কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জেতেনি, আর আমি দেশের হয়ে তিনটি ট্রফি জিতেছি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে রোনালদোর নেতৃত্বে বা অংশগ্রহণে পর্তুগাল জিতেছে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ, ২০১৯ সালের উয়েফা নেশনস লিগ এবং ২০২৫ সালের উয়েফা নেশনস লিগ। তার মতে, এই অর্জনগুলো পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে দিয়েছে বিশ্বকাপে রোনালদোর সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ২০০৬ সালের সেমিফাইনালে ওঠা। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬—কোনো আসরেই পর্তুগাল শেষ চারে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে বিশ্বকাপ শিরোপা ছাড়াই শেষ হলো তার বিশ্বকাপ অধ্যায় জাতীয় দলের হয়ে এটাই তার শেষ ম্যাচ কি না—এ প্রশ্নের জবাবে রোনালদো সরাসরি কিছু বলেননি। তিনি বলেন, “আমি আবেগের বশবর্তী হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। আমি খেলব কি না, সেটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।”

 

পটভূমি

 

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবলে পর্তুগালের ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড়। তবে বিশ্বকাপ শিরোপা তার ক্যারিয়ারের অপূর্ণ অর্জন হিসেবেই থেকে গেল।

উপসংহার

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের মাধ্যমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার কার্যত শেষ হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও, জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি এখনই কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে চাননি। ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করতে হবে সমর্থকদের।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Uzzal Alo

জনপ্রিয়

মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর আইইডি, নিষ্ক্রিয় করল বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল

বিশ্বকাপ বিদায়ের পরও ইউরো শিরোপাকেই সর্বোচ্চ অর্জন বললেন রোনালদো।

রোনালদোর কাছে ইউরো জয়ই বিশ্বকাপের সমান, ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নয়

Update Time : ০৮:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
২৮

ডালাস | ৭ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়ার পর ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়কেই নিজের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার ভাষায়, ওই শিরোপার মূল্য তার কাছে বিশ্বকাপ জয়ের সমান। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্পেন ১-০ গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর করা একমাত্র গোলে নিশ্চিত হয় স্পেনের জয়। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় রোনালদোর ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান। ম্যাচে ৪১ বছর বয়সী রোনালদো প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেননি। প্রথমার্ধে গোলরক্ষক উনাই সিমনের উদ্দেশে নেওয়া একটি শট ছাড়া উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেননি তিনি। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রোনালদো বলেন, “পর্তুগালের হয়ে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন ২০১৬ সালের ইউরো জেতা। সেই ট্রফিটাই আমার কাছে বিশ্বকাপের মতোই মূল্যবান। তিনি আরও বলেন, “আগামীকাল আমি ফুরফুরে হয়ে ঘুম থেকে উঠব। কারণ দেশের জন্য নিজের সর্বস্ব দিয়েছি। আমার আগে পর্তুগাল কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জেতেনি, আর আমি দেশের হয়ে তিনটি ট্রফি জিতেছি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে রোনালদোর নেতৃত্বে বা অংশগ্রহণে পর্তুগাল জিতেছে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ, ২০১৯ সালের উয়েফা নেশনস লিগ এবং ২০২৫ সালের উয়েফা নেশনস লিগ। তার মতে, এই অর্জনগুলো পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে দিয়েছে বিশ্বকাপে রোনালদোর সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ২০০৬ সালের সেমিফাইনালে ওঠা। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬—কোনো আসরেই পর্তুগাল শেষ চারে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে বিশ্বকাপ শিরোপা ছাড়াই শেষ হলো তার বিশ্বকাপ অধ্যায় জাতীয় দলের হয়ে এটাই তার শেষ ম্যাচ কি না—এ প্রশ্নের জবাবে রোনালদো সরাসরি কিছু বলেননি। তিনি বলেন, “আমি আবেগের বশবর্তী হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। আমি খেলব কি না, সেটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।”

 

পটভূমি

 

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবলে পর্তুগালের ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড়। তবে বিশ্বকাপ শিরোপা তার ক্যারিয়ারের অপূর্ণ অর্জন হিসেবেই থেকে গেল।

উপসংহার

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের মাধ্যমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার কার্যত শেষ হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও, জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি এখনই কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে চাননি। ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করতে হবে সমর্থকদের।