নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম

ঢাকা: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে তাকে দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।ট্রাইব্যুনালে হাজির বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে মোজাফফর হোসেনকে প্রিজনভ্যানে করে কারাগার থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাকে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষে নেওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন এবং দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।আগের আদেশের ধারাবাহিকতায় হাজির এর আগে ২১ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন। ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করা হয় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। এ সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, শাইখ মাহদী ও মঈনুল করিমসহ অন্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন। শুনানিতে মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। পরে ট্রাইব্যুনাল ওই আবেদন মঞ্জুর করেন ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক ছিলেন। গত ১৫ জুলাই রাতে ঢাকার বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য

প্রাপ্ত তথ্যে মোজাফফর হোসেন বা তার আইনজীবীর বক্তব্য উল্লেখ নেই। পরিবারের সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা বা প্রত্যক্ষদর্শীদের কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

প্রশাসনের পদক্ষেপ ও বর্তমান অবস্থা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মোজাফফর হোসেনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এগোবে।এ ধরনের মামলায় পরিবারের মন্তব্য, স্থানীয় প্রতিক্রিয়া, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য বা অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য না থাকলে সেগুলো আলাদা করে বানিয়ে না লেখাই সঠিক সাংবাদিকতা।