সংবাদ প্রতিবেদন
আটলান্টা | ৭ জুলাই ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০টায় যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও মিশর। ম্যাচটি জয়ী দল নিশ্চিত করবে কোয়ার্টার ফাইনালের টি কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত গড়ানো কঠিন লড়াইয়ের পর শেষ ষোলোতে উঠেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলতে নামছে মিশর। ফলে ম্যাচটি দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। শেষ বত্রিশের ম্যাচে কেপ ভার্দেকে হারাতে ১২০ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। অতিরিক্ত সময়ের ১১১তম মিনিটে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলে জয় নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ওই ম্যাচে কেপ ভার্দের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ় পারফরম্যান্স আর্জেন্টিনাকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলে। মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে মূল ভরসা থাকবেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে দলের আক্রমণভাগে তার ভূমিকাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারসহ অন্যান্য খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও কার্যকর অবদান প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দলের সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তাও রয়েছে। ফাকুন্দো মেদিনার খেলা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। তিনি খেলতে না পারলে নিকোলাস তালিয়াফিকো সুযোগ পেতে পারেন। এনজো ফার্নান্দেজ শারীরিক অস্বস্তি কাটিয়ে খেলতে প্রস্তুত থাকলেও গনজালেজের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। অন্যদিকে মিশরের সবচেয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ। পাল্টা আক্রমণে সালাহ ও ওমর মারমুশের গতি আর্জেন্টিনার রক্ষণকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। ম্যাচে রক্ষণ সংগঠিত রেখে দ্রুত আক্রমণে যাওয়ার কৌশল নিতে পারে মিশর। দুই দলই আগের ম্যাচে ১২০ মিনিট খেলায় শারীরিক ক্লান্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে। দ্রুত পুনরুদ্ধার এবং ম্যাচ পরিচালনার সক্ষমতা ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ও মিশর মাত্র একবার মুখোমুখি হয়েছে। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে জয় পেয়েছিল।
পটভূমি
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা টানা তৃতীয় শিরোপার লক্ষ্যে খেলছে। অন্যদিকে মিশর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চায়।
উপসংহার
কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কাগজে-কলমে আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকলেও নকআউট পর্বে মিশরের রক্ষণ, পাল্টা আক্রমণ এবং মোহাম্মদ সালাহর উপস্থিতি ম্যাচটিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে পারে। মেসি–সালাহ দ্বৈরথের এই ম্যাচ বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই হতে যাচ্ছে।