সংবাদ প্রতিবেদন

ঢাকা | ৫ জুলাই ২০২৬

হামের টিকা সংগ্রহে অবহেলার অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে আবেদনটি করেন হামে মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সী সাউদা নুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন এবং আবেদনের বিষয়ে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

ঘটনার বিস্তারিত

মামলার আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, হামের টিকা সংগ্রহে অবহেলার কারণে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাদী দাবি করেন, তার ৯ মাস বয়সী কন্যা সাউদা নুসকান হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এ ঘটনায় তিনি অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে আদালতে মামলার আবেদন করেন।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ মোট চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে আবেদনপত্রে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে আদালত এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য

বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি বলেন, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন এবং মামলার আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে আদেশ পরে দেবেন।

পটভূমি

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মামলার আবেদনটি হামের টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহে অবহেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো আদালতে বিচারাধীন এবং এ বিষয়ে আদালতের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

পরিবারের মন্তব্য

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাদী সিরাজুল ইসলাম তার কন্যা সাউদা নুসকানের মৃত্যুর জন্য সংশ্লিষ্টদের অবহেলাকে দায়ী করে আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন। এর বাইরে পরিবারের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে স্থানীয়দের কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযোজন করা হবে।

প্রশাসনের বক্তব্য

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন এবং মামলার আবেদন সম্পর্কে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পৃথক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপসংহার

মামলার আবেদনটি বর্তমানে আদালতের বিবেচনাধীন রয়েছে। আদালতের আদেশের পর পরবর্তী আইনি কার্যক্রম নির্ধারিত হবে। মামলার অভিযোগগুলো এখনো বিচারাধীন এবং আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত এগুলো অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।