সাব-হেডলাইন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ের আহ্বান; সাহরি ও তারাবির সময় লোডশেডিং না করার আশ্বাস

প্রারম্ভিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুদ থাকলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি ব্যবহারে রেশনিং পদ্ধতি চালু রাখার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাব-এ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সাশ্রয় করে ব্যবহার করতে হবে, যাতে দীর্ঘ সময় দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যায়।

ঘটনার বিস্তারিত

জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে তেলের মজুদ রয়েছে এবং নতুন জাহাজে করেও তেল আসছে। রোববার সকাল ১১টার দিকে একটি তেলবাহী জাহাজ নোঙর করেছে এবং আরেকটি জাহাজ নোঙর করার কথা রয়েছে। এসব জাহাজ থেকে তেল সরবরাহ শুরু হলে দেশের মজুদ আরও বাড়বে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মজুদ থাকলেই অবাধে ব্যবহার করা যাবে না। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সরকার রেশনিং পদ্ধতি চালু রেখেছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

মন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহের উৎস এলাকায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ কারণে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের বিষয়টি সরকার অবগত আছে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হওয়ায় মজুদ জ্বালানি দীর্ঘ সময় ব্যবহারযোগ্য রাখতে রেশনিং পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছে।

পটভূমি

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশকে একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থায় পেয়েছে। প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া দায় নিয়ে সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় জ্বালানি খাতে চাপ আরও বেড়েছে।

প্রশাসনের মন্তব্য

জ্বালানি মন্ত্রী আরও বলেন, পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে সাহরি ও তারাবির সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণের সহযোগিতা থাকলে বর্তমান পরিস্থিতিতেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।

উপসংহার

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী নীতি বজায় রাখা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃ

পক্ষ নজরদারি অব্যাহত রাখবে।